পৃথিবীর অতি গোপন ৫টি জায়গা||5 most secret places in the world

পৃথিবীর অতি গোপন ৫টি জায়গা||5 most secret places in the world

পৃথিবীর অতি গোপন ৫টি জায়গা||5 most secret places in the world



পৃথিবীর চতুর্থ রায় ছড়িয়ে আছে ওর রহস্য আর ।মানুষ জন্ম থেকেই ধ্বংসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ বোধ করে ।আজকে আমাদের এই ভিডিওটি সেই আকর্ষণ কে কেন্দ্র করে। বর্তমানে পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে সাধারন মানুষ কখনই প্রবেশ করতে পারবে না । শুধু তালিকাবদ্ধ হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ সেখানে যেতে পারবে। জায়গাগুলো নিরাপত্তা খুবই কঠোর সেখানে যাওয়া তো দূরের কথা খুব কম মানুষই জানেন এসব জায়গার কথা। রহস্যে ঘেরা এইসব জায়গাগুলোতে এমন কিছু আজব কাজ চলে যা শুনলে আপনার পিলে চমকে যাবে। তবে নিষিদ্ধ হলেও সেসব জায়গা সম্পর্কে জেনে নিন তার কোনো অসুবিধা নে। আসুন জেনে নেই পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত প্রবেশ অধিকার নাই এমন স্থান সম্পর্কে ।


এরিয়া ফিফটি ওয়ান


পৃথিবীতে মানুষ  সৃষ্টি দুর্লভ  জায়গাগুলোর মধ্যে প্রথম কাতারেই থাকবে আমেরিকার অঙ্গরাজ্য সামরিক স্থাপনা এরিয়া ফিফটি ওয়ান ।এই এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ।  প্রবেশপথে লেখা আছে সংরক্ষিত এলাকা থেকে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে গুলি করা হবে। তাই এই জায়গাটিতে নিয়েই বিশ্ববাসীর কৌতুহল  সবচেয়ে বেশি।  কি আছে এর ভেতরে এমন?কি  কাজ করা হয় এই ঘাঁটিতে ? যার দ্বারা সেখানকার তালিকাভুক্ত কর্মীদের ছাড়া আর কাউকে সেখানে ঢুকতে দেয়া হয় না। এমন প্রশ্ন বিশ্ববাসীর মনে ঘুরপাক খাবে এটাই স্বাভাবিক ।এমন এক সামরিক ঘাঁটি যেখানে কর্মীরা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছে দায়বদ।। এরিয়া ফিফটি ওয়ান এর ভেতরে আজ পর্যন্ত কেউ ঢুকতে পারেনি যদি কেউ থাকে তাহলে তিনি ফিরে এসেছেন লাশ হয।। এরিয়া ফিফটি ওয়ান এলাকাটিতে আমেরিকার সরকার আত্মগোপন করে রেখেছিল। যে আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ু যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এটি সম্পর্কে সোভিয়েত ইউনিয়ন বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও অস্তিত্ব স্বীকার করেনি ওয়াশিংটন । অবশেষে 18 আগস্ট 2013 প্রথমবারের মতো আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে হ্যাঁ এরিয়া ফিফটি ওয়ান এর অস্তিত্ব আছে। তারা স্বীকার করে যে আমেরিকার সরকার দেশটির একটি সাময়িক পরীক্ষার স্থান হিসেবে ব্যবহার করে ।এই জায়গাটিতে নিয়ে রয়েছে নানা ধরনের জল্পনা আর বিতর্ক আশেপাশের এলাকা বলে থাকেন এই স্থানটিতে ভিনগ্রহের প্রাণীদের উড়তে দেখা যায।এছাড়া চাঁদে যাওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখানো হয়েছিল সেটি এরিয়া ফিফটি ওয়ান এর ধারন করা হয়েছিল বলে বিতর্ক আছে ।কিন্তু সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে এসব বিতরকের কূলকিনারা আজ পর্যন্ত হয়নি।  


Thirty-three ডিজনিল্যান্ড


অফ ডিজনিল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম সেরা বিনোদন স্পট ও আমেরিকার হিসেবে ডিজনিল্যান্ডের রয়েছে আলাদা একটি পরিচয় শুধু ।বিনোদনের জন্যই পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে প্রায় প্রতিদিন বহু মানুষ ছুটে আসেন ডিজনিল্যান্ডের। ডিজনিল্যান্ড সবার জন্য উন্মুক্ত হলেও সেখানে একটি স্থান খুবই গোপ...এখানে কেউ চাইলেই ঢুকতে পারবেন না। পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন স্থানের তালিকা উঠে আসা একমাত্র ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে স্থান এটি ।বাকিগুলো সঙ্গে কোনো না কোনো দেশ বা কোনো না কোনো গোয়েন্দা সংস্থা জড়।। তবে ডিজনিল্যান্ডের নিউ অর্লিন্স অবস্থিত একটি ব্যক্তিগত ক্লাব ওয়ার্ল্ড এর প্রতিষ্ঠাতা তার প্রিয় এই ক্লাবটি ভীষণভাবে সংরক্ষিত করে রাখা হ। এখানে প্রায় সব সময় মদ বিক্রি হয় তবে কাগজে-কলমে কথাও উল্লেখ নেই। তাদের ব্যাপারে একেবারেই চেপে যাওয়া হয় এই ক্লাবের সদস্য হওয়ার চাড়টি খানি কথা নয় ।আপনি এখানে যদি সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলে তাহলে আপনাকে প্রচুর টাকা গুনতে হবে । খরচের পরিমাণ হবে 10 থেকে 30 হাজার মার্কিন ডলার ।বাংলা টাকায় যা প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা চাঁদা 3275 থেকে 6100 মার্কিন ডলার ।টাকা সদস্যপদ মিলবে সেটা ঠিক নয় কারণ আজকে আবেদন করলে সবকিছু যাচাই বাছাই শেষে যদি রেজাল্ট পজিটিভ হয় তাহলে এখানকার সদস্য হতে প্রায় 14 বছর সময় লাগবে । সাধারন জনগনের জন্য এই জায়গাটির প্রবেশ একেবারেই নিষেধ এমনকি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও এখানে সুনির্দিষ্ট ও অনুমোদন ব্যতিরেকে প্রবেশ করতে পারবেন না ।

ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভস


পৃথিবীর ইতিহাসে অনেকগুলো পটপরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ সব ঘটনা প্রবাহের সাক্ষী খ্রিস্টানদের পবিত্র নগর ভ্যাটিকান । আর ভ্যাটিকান সিটির ভিতরে সবচেয়ে রহস্যময় জায়গাটি হল ভ্যাটিকান সিটির সংগ্রহশালা । যে জায়গাটিতে বলা হয় স্টোর হাউস অফ  সিক্রেট বা  গোপনীয়তার সংগ্রহশালা। এই জায়গাটিতে সাধারণ মানুষ নয় ভ্যাটিকান সিটির পন্ডিত ঢোকার অনুমতি পান না। খুব কমসংখ্যক এখানে ঢোকার সৌভাগ্য হয়েছে ।তাও পোপের অনুমতি ছাড়া সেটা একেবারেই অসম্ভব ।অত্যান্ত সুরক্ষিত তার দিক থেকে আলাদা গুরুত্ব দেয়া হয়। এখানে প্রায় 84 হাজার বই আছে আর এই জায়গাটি  প্রায় 84 কিলোমিটার দীর্ঘ ধারণা করা হ। খ্রিস্টান মিশনারী আরো অনেক ধর্মের মতবাদের এখানে সংরক্ষিত আছে ।কিন্তু সাধারণ মানুষেরই গ্রন্থাকারে প্রবেশের কোনো অধিকার নেই ।



মস্কো মেট্রো 2



 বিশ্বের অন্যতম রহস্যময় ও গোপনীয় শহর হিসেবে পরিচিত রাশিয়ার মস্কো মেট্রো ২ । কেন একটি রহস্যময় ও গোপনীয় শহর সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কোন পরিষ্কার ধারণা নেই। স্পষ্ট করে বললে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রাউন্ড সিটি ।অথচ কারো জানা নেই ,এখানে কারা থাকে ?কি করে? অথবা দেখতে কেমন?তবে সাধারণ মানুষের এস্থান প্রবেশ অধিকার  নাই । এই স্থানটি নিয়ে রাশিয়ার চরম গোপনীয়তা অনেককেই কৌতুহলী কর তুলে । ধারনা করা হয় রাশিয়ার গোপন তথ্য গুলো অনেক কিছুই এখান থেকে পরিচালিত হয়। রাশিয়ান সরকার কোনমতেই চাইবেনা পৃথিবীর কাছে সেগুলো প্রকাশ করব ।এই ধরনের পুরো জায়গাটি কোন প্রকার স্বীকৃতি না দিয়ে অস্তিত্বহীন করে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ মনে করে কর্তৃপক্ষ ।ধারণা করা হয় আন্ডারওয়ার্ল্ড সিডি তৈরি হয়েছে স্টালিনের আমল।আর এখান থেকে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে হয় , আন্ডারওয়ার্ল্ড সিটির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে এমন মানুষের দাবী আন্ডারওয়ার্ল্ড সিটি ফ্যামিলির সঙ্গে এসএসবি হেডকোয়ার্টারের সংযোগ স্থাপন করে আছে।


ইসি গ্র্যান্ড মন্দির



এই জায়গাটির জাপানে অবস্থিত জাপানের সবচেয়ে গোপনীয় এবং পবিত্র জায়গা ধারণা করা হয় ।খ্রিস্টপূর্ব চার সালে ইংল্যান্ড মন্দির তৈরি করা হয়। সূর্যের দেবী আমাতেরাসুর উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত আজ পর্যন্ত এখনো জাপানের রাজপরিবার ধর্মযাজক ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারেনি।প্রতি 20 বছর পরপর মন্দির নতুন করে নির্মাণ করা হ... ইতিহাসবিদদের ধারণা এখানে ধারণায় এখানে জাপানি সাম্রাজ্যের মূল্যবান ও হাজার হাজার বছরের পুরনো নথি পত্র লুকানো আছে ।যা বিশ্ববাসীর কাছে একেবারেই অজানা। জাপানের রূপকথার বহু প্রচলিত পবিত্র আয়না এই মন্দিরে রয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়ে। কথিত আছে এই আয়নায় নাকি অতীত ভবিষ্যৎ বর্তমান দেখা যায় ।কিন্তু মন্দিরে প্রবেশ অধিকার না থাকায় সেই জনশ্রুতির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। জাপানের রাজ পরিবার থেকে কখনোই পবিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি ।আজও অমীমাংসিত রয়ে গেছে কি পবিত্র আয়নার রহস্য ।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন